IT Home Solution

জিএসপি সুবিধা,অতীত ও বর্তমান

যে সব শর্ত পূরণ হলে আন্তর্জাতিক বাজারে হেঁড়া অত সােজা নয়- তা তারা ভালই জানে। শ্রমিক মহাসচিব তখন এক দৈনিকে বলেছেন- ‘কারখানার আন্তর্জাতিক ক্রিমিন্যাল কোর্টে বিচারের আবেদনও Gষপণ্যের জেনারালাইজড সিস্টেম অব কারখানার কর্মপরিবেশ ইত্যাদি নিয়ে এত ভালমানুষী শ্রমমান নিয়ে যে অভিযােগ তােলা হয়েছে, তা করতে পারবে না। যদি কোন মার্কিন সেনা বা “প্রেফারেন্স বা জিএসপি সুবিধা পাওয়া যায়, কথার ছলে জিএসপি বাতিল করেছে। কিন্তু তৈরি সিরামিক কারখানাগুলাের জন্য প্রযােজ্য নয়। বরং অফিসার অন্য কোন দেশে অপরাধ করে বা সাজা সেসব পূরণ না হওয়ায় দু’হাজার তেরাে সালে মার্কিন পােশাক তাে যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছিল না। আমাদের ক্রেতারা বাংলাদেশের কারখানার কম পেয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়, তাহলেও বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী পণ্যেওঁ জিএসপি বাতিল শতকরা পনেরাে ভাগ পর্যন্ত শুল্ক দিয়ে ওদেশে পরিবেশের প্রশংসা করেন। সুতরাং শ্রমিক স্বার্থের তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে না বা আন্তর্জাতিক বাংলাদেশের তৈরি পােশাক প্রবেশের অধিকার পায়। বিষয়টি যে এখানে মুখ্য নয় তা বােঝা তেমন কঠিন ক্রিমিন্যাল কোর্টে তাকে সােপর্দ করতে পারবে না। কিন্তু এবার সম্ভবত বাংলাদেশ সত্যিই চ্যালেঞ্জের মুখে। বাংলাদেশের মােট রফতানি পণ্যের একুশ শতাংশ নয়। অনেক সময় ঘটনার আড়ালে চাপাপড়া এ রকম বহু চুক্তি স্বাক্ষর হয় সরকার বদলায় কিন্তু পড়তে যাচ্ছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে স্থান পাওয়ায় দেশের ভাবমূর্তি উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামনে দাঁড়াচ্ছে জিএসপি চ্যালেঞ্জ। কেননা, উন্নত দেশে পণ্য রফতানিতে এখন আর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে না। এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) নামের স্কিমের আওতায় ইইউতে যে সুবিধা বাংলাদেশ এখনও পাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে আর মাত্র তিন বছর। দু’হাজার সাতাশ সালের পর ইউরােপীয় ইউনিয়নের দেশগুলােতেও শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকবে না। তবে ইইউ প্রদত্ত সাতাশটি শর্ত পূরণ করতে পারলে জিএসপি প্লাস সুবিধা নিয়ে। ওসব দেশে বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশ করতে পারবে। শ্রম অধিকার রক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন চালু করা, শ্রম আইনের বাস্তবায়ন, যথাসময়ে বেতন ও পেনশন সুবিধা দেয়া, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করাসহ সাতাশটি শর্ত রয়েছে ইউরােপীয় ইউনিয়নের । জিএসপি প্লাস সুবিধার জন্য বাংলাদেশ এবং ইইউর একটি যৌথ কমিশন একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি বাতিল করার কারণ হিসেবে। বলেছিল, বার বার সতর্ক করার পরও বাংলাদেশের পােশাক কারখানাগুলােয় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নয়নে পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস GSP তাদের সম্পাদকীয়তে লিখেছিল- পােশাক কারখানাগুলােতে কাজের পরিবেশ উন্নত করতে বাংলাদেশকে চাপ দিতে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার
( 3:) | প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি ওবামার কঠোর মনােভাব প্রকাশিত হয়েছে। দেশের চল্লিশ লাখ পােশাককর্মীর জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত | নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে চাপ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আরও লিখেছিল, আমেরিকা ও ইউরােপের কোম্পানিগুলােকে তাদের পােশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলােতে জরাজীর্ণ কারখানাগুলাে সংস্কার এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করতে চাপ দিতে বলা হলেও এ ক্ষেত্রে মৌলিক দায়িত্ব বাংলাদেশের নেতাদের ওপরই বর্তায়। শেখ।
প্রভাবশালী শিল্পপতিদের পছন্দের বাইরে গিয়ে শিল্প ও অর্থনীতি বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেন । তাদের দেশের এবং কর্মীদের ইউনিয়ন গঠনের সুযােগ দেয়ার কথা শতকরা নিরানব্বই ভাগের স্বার্থ রক্ষায় এক শতাংশ মরিয়া হয়ে লড়েছে। তাদের শিল্প কারখানায় শ্রমিক। বারবার বললেও বাস্তবে তেমন কিছুই করেনি। তারা | সে সব নীতিতে পরিবর্তন আনবেন বলে মনে হয় না, স্বার্থে ইউনিয়নের আনন্দ লহর বয় না! ওয়াল স্ট্রিটের ঘটনা এই সেদিনের। মানুষের এখনও সে সব মনে যেলাে পােশাক কারখানার প্রভাবশালী মালিক পরিবারগুলাের কাছে অজনপ্রিয় । নীতিতে পরিবর্তন।
আছে। পাশাপাশি এ সত্যও সবার জানা যে, বাংলাদেশের কোন শাসক দলই এ পর্যন্ত শুধু আনতে বাধ্য করা হলেই কেবল তারা তা করবেন। এ বিষয়ে চাপ দিতে আমেরিকান ও ইউরােপীয় পােশাক শিল্পমালিক কেন প্রভাবশালী কোন মালিকের বিপক্ষে যায়নি নেতাদের হাতে খুব কম অৱই রয়েছে। তবে যেখানে লাখ লাখ দরিদকর্মীর জীবন হুমকিতে রয়েছে, সেখানে হাতে থাকা সীমিতু অস্ত্র প্রয়ােগ করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যেত। যার মধ্যে শতকরা সাতাশি ঘটনাগুলাে চোখের আড়ালেই থেকে যায়। ভাবমূর্তি।ক্ত থেকে যায় অপরিবর্তিত। এসব খব হবে।ভাগ তৈরি পােশাকু। বাকি যে সব রফতানি পণ্য নিয়ে যারা টানাহেঁচড়া করেন তারা নিশ্চয়ই জানেন আলােয় উজ্জ্বল হওয়া অনেক খবরের আড়ালেই নিউইয়র্ক টাইমস এর ভাষা শুনে বােঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধা পাচ্ছিল যেমন সিরামিক পণ্য, চশমা, ভাবমূর্তি একদিনে তৈরি হয় না। এর পেছনে থেকে যায়। দশ্য প্রক্রিয়া চালু থাকে। বিশেষ বিশেষ বাংলাদেশের মতাে দেশে রাজনীতিবিদরা যেখানে আওড়েছিল। নইলে তাদের দেশের শাসকরাও এর মূল্য ও পরিমাণের দিক থেকে এগুলাে কোনটাই সময়ে তারই কিছু উপসর্গ বেরিয়ে এসে ভাবমূর্তির দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত, পশ্চিমের আফিম খেয়ে প্রভাবশালী শিল্পপতিদের পছন্দের বাইরে গিয়ে শিল্প পােশাক শিল্পের মতাে তেমন উল্লেখযােগ্য নয়। প্রশ্নকে বড় করে তােলে। সহস্রাব্দের শুরুর দিকে বুদ্ধিজীবী-বিদ্বান-ফেলােদের বড় অংশ বেহুশ
ও অর্থনীতি বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেন । তাদের দেশের সুতরাং জিএসপি স্থগিত রফতানি খাতকে খুব একটা গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশপ্রেম সেখানে শুধুই ‘কথার ছল।’ ওবামা যেমন | শতকরা নিরানব্বই ভাগের স্বার্থ রক্ষায় এক শতাংশ প্রভাবিত করেনি। তাছাড়া ইউরােপীয় ইউনিয়নসহ বাংলাদেশের তিনটি চুক্তি হয়েছিল। যার কোনটার ছল করে বলেছিলেন, “আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে মরিয়া হয়ে লড়েছে। তাদের শিল্প-কারখানায় শ্রমিক অন্যান্য দেশে রফতানি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত ছিল। খবর মানুষ বিস্তারিত জানে না। স্লান আলােতে থেকে। | বাংলাদেশের পাওয়া জিএসপি সুবিধা স্থগিত করাই স্বার্থে ইউনিয়নের আনন্দ লহর বয় না! ওয়াল স্ট্রিটের ইইউ জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি বাতিলের ওগুলাে দেশের ভাবমূর্তি নির্মাণে কতখানি ভূমিকা শ্রেয়। তৈরি পােশাক কারখানার শ্রমিকদের পরিবেশ ঘটনা এই সেদিনের। মানুষের এখনও সে সব মনে প্রভাব তাদের ওপর পড়বে না। রেখেছে সে প্রশ্ন কেউ কখনও তােলেনি। একটি চুক্তি উন্নয়নে সেখানে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’ আছে। পাশাপাশি এ সত্যুও সবার জানা যে, যে পােশাক খাত জিএসপি সুবিধা পায় না তার স্বাক্ষর হয়েছিল ওয়াশিংটনে। স্বাক্ষরের খবর দেশের আসলে শ্রমিক স্বার্থ ওবামার কাছে যেমন গুরুত্বহীন, বাংলাদেশের কোন শাসক দলই এ পর্যন্ত শুধু শ্রমিকদের জন্য মরাকান্না কেদে জিএসপি বাতিল মানুষ জেনেছিল একমাস পর। যার বিষয়বস্তু ছিল তেমন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব-শিল্পপতিদের কাছেও পােশাক শিল্পমালিক কেন প্রভাবশালী কোন মালিকের করেছে অথচ জিএসপি পাওয়া প্লাস্টিক বা সিরামিক মােটামুটি এ রকম : বাংলাদেশে অপরাধ করা কোন গুরুত্বহীন। তবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় বিপক্ষে যায়নি। এ দীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেই কারখানার শ্রমিক ও শ্রমমান যথেষ্ট উন্নত। বাংলাদেশ মার্কিন সেনা বা অফিসারকে তার কোন অপরাধের এবার শ্রমপরিবেশ উন্নত করাসহ এ সংক্রান্ত অন্য নেয়া। বিশ্বজুড়ে যে ফাদ তারা পেতেছে তার জাল সিরামিক ওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং এ্যাসােসিয়েশনের জন্য বাংলাদেশ বিচার করতে পারবে না। এমনকি সব শর্ত পূরণ করার সময় এসেছে।

তথ্য সুত্র: www.edailyjanakantha.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *